অভ্র কি পাইরেটেড? – প্রথম আলো

প্রথম আলোর ফিচার পাতা ‘প্রজন্ম ডট কম’-এ আজ “অভ্র কি পাইরেটেড?” শীর্ষক নিম্নের লেখাটি প্রকাশিত হয়েছে।

অভ্র কি পাইরেটেড?

ছবিতে ক্লিক করে পূর্ণ আকারে দেখুন

লিংকসমূহঃ

32 টি মন্তব্য

  1. ইসানুর said,

    [২০১০.০৪.২৩ ০৮:৩৭]

    জয়তু অভ্র! অভ্রের জয় হোক!

  2. raihan sayeed said,

    [২০১০.০৪.২৩ ০৮:৩৮]

    মেহদি ভাইকে সমর্থন করলাম।
    এই অজুহাতে অভ্র কে পাইরেট বলাটা জব্বার সাহেবের মত লোকের মুখে মানায় না , বরং তাকে হাস্যকর হিসাবে তুলে ধরছে সবার সামনে।
    অভ্র এগিয়ে যাক, এই প্রত্যাশা করছি।
    – সাঈদ, আমরাবন্ধু।

  3. SK. FOYSAL ALAM said,

    [২০১০.০৪.২৩ ০৯:২১]

    অভ্র মোটেই পাইরেটেড সফটওয়ার না, এটা দিবালোকের মত সুস্পষ্ট। এই সহজ বিষয়টা কেন মোস্তফা জব্বার বুঝতেছেন না এটাই চিন্তার বিষয়। আশা রাখি তিনি আজ মেহেদী ভাইয়ের জবাব পড়ে নতুন কোন উত্তর দিবেন। আমার মতে ভাষাকে ব্যবসায়িক কাজে খাটানোর জন্য বা নির্দিষ্ট গন্ডির মধ্যে আবদ্ধ করে রাখার জন্য ১৯৫২ সালে সালম, বরকত, রফিক এরা শহীদ হননি। আশা রাখি খুব দ্রত এটার সমাধান জাতীয়ভাবে হবে।

  4. kuntalbd said,

    [২০১০.০৪.২৩ ০৯:২৪]

    অভ্র পাইরেটড কি না, এ বিতর্কে আমি যাবনা।
    শুধু বলতে চাই, বাংলাদেশে যে গুলো ভাল সফটওয়্যার তৈরী হয়েছে, অভ্র তাদের অন্যতম।

    এবং আমি মনে করি, অভ্রকে জাতীয় পুরষ্কার দেয়া উচিত।

  5. মঈন ‍চৌধুরী said,

    [২০১০.০৪.২৩ ০৯:৪০]

    মনে হচ্ছে, জব্বার সাহেব প্রোগ্রামিং থেকে আইন আদালত বেশ ভালই বুঝেন। উনার ভাষায় অভ্র পাইরেটেড। তাই উনার উচিত- ভাষা উন্মুক্ত করার যে প্রয়াস “অভ্র” তা অচিরেই আইন আদালত দ্বারা বন্ধ করা। আমরা টাকা দিয়ে বাংলা লিখব। ইন্টারনেটে বাংলা লেখা বন্ধ করে দিব। বিশ্ববাসী কেউ জানবে না যে আমরা ইন্টারনেটেও বাংলা লিখতে পারি। যার টাকা থাকবে সেই বাংলা লিখতে পারবে নতুবা নয়। মুখের ভাষা, মায়ের ভাষা বিনামূল্যে ইন্টারনেটে লেখে- কত্ত বড় সাহস ! ধন্য হে বিজয়, ধন্য মোস্তাফা জব্বার।

  6. Maruf Maniruzzaman said,

    [২০১০.০৪.২৩ ০৯:৫২]

    লে-আউট কপিরাইট করা হইছে- মানে কি-বোর্ডের কোন জায়গায় কোন কি থাকবে সেইটা কপি রাইট আছে-

    এখন ০-৯ পর্যন্ত সংখ্যার কথাটা প্রথমে ধরি- এইটা হুবহু ইংরেজী কি-বোর্ডের সাথে মেলে- এখন এইটা কপিরাইট এর অংশ না বলে ধরতে পারি কি আমরা? তাহলে আমরা এখানে পেলাম ১০ টা কি। এরপর আছে যতি চিহ্ন- এইগুলাও ইংরেজি কি-বোর্ড আর বিজয়ে হুবহু এক- তাহলে আরও যদি ৫ টা ধরি তাহলে মোট পাইলাম ১৫ টা-

    এখন আসা যাক অক্ষরের ব্যাপারে ৫০ টা অক্ষরের মধ্যে ৭ টা অক্ষরের মিল নাই বিজয়ের সাথে ইউনিজয়ের- মোট হল ২২ টা

    তাহলে মোট ৬৫ টার মধ্যে দেখা যাচ্ছে ২২ টা কি এর ব্যাপারে আপত্তি করার কথা না-

    এখন বাকি থাকল কার গুলা- বাংলা ইউনিকোডে কার গুলার জন্য আলাদা কোন কিচু নাই (বাংলা ইউনিকোড- http://unicode.org/charts/PDF/U0980.pdf)- যে অক্ষরের কার সেই অনুযায়ী কি-বোর্ডে এ বসানো হইছে-

    অংকটা যদি মোটামুটি ঠিক ধরি তাহলে বলা যায় ৩৩% অমিল আছে ২ টা কি-বোর্ডএর-

    এখন কতভাগ মিল থাকলে এটা আরেটার নকল বলা যাবে? কোন মিল থাকা যাবে না এইটাতে আমার আপত্তি আছে- ০-৯ , যতি চিহ্ন, স্পেস বার, এইগুলা ইংরেজির সাথে হুবহু মিল-

    এখন যদি ১০০% না ধরি তাহলে কতটুকু মিল থাকলে নকল ধরা হবে? এই সংক্রান্ত কোন আইন আছে? (সম্ভবত ১ টা না মিললেই নকল বলা যাবে না আমার জানামতে)। এইটা জনাব মোস্থফা জব্বার পরিস্কার করে বললে আমাদের সুবিধা হত- আমরা তারপর আইনের সাথে ওনার দাবি মেলাতে পারতাম-

  7. শামীম আরাফাত said,

    [২০১০.০৪.২৩ ১১:০০]

    ইংরেজীতে লেখার জন্য QWERTY কিবোর্ড ব্যবহার করে লিখতে তো এর জনক ক্রিস্টোফার সোলস্ (১৮৭০) কে কোন টাকা দিতে হয়না। তাহলে বাংলায় টাইপ করতে কেন?

  8. Abdullah-Al-Noman said,

    [২০১০.০৪.২৩ ১১:০৪]

    জনাব মোস্তফা জব্বার, আপনার জন্য শুধু করুনাই হয়

    বাংলাদেশের বাংলা কম্পিউটিং এ ‘বিজয়’ এর ভুমিকা অস্বীকার করার উপায় নেই, আমি শ্রদ্ধাচিত্তেই তা স্মরন করি।
    নতুন প্রযুক্তি হলো নদীর স্রোতের মতো। তাকে বাধ দিয়ে আটকে রাখা যায় না। উদাহরন হিসেবে ভিওআইপির কথা বলতে পারি। সরকার যতই চেষ্টা করুক একে বন্ধ রাখতে পারছে না। এর ব্যবহার বাড়বেই। কারন এটি সাধারনের প্রয়োজন মেটায়। যেখানে আমি ৫ টাকায় কথা বলতে পারি সেখানে কেন ২০ টাকা খরচ করবো?

    প্রযুক্তির কাজই হলো জীবনকে সহজতর করা। ডস নির্ভর অপারেটিং সিস্টেম থেকে যখন উইন্ডোজ এলো, মানুষ তা লুফে নিয়েছে। কারন তা ডস থেকে অনেক সহজ এবং সুন্দর। এর পরে দিনে দিনে তার বিবর্তনে এলো উইন্ডোজ ভিস্তা। এতো ঢাক-ঢোল পিটিয়েও ভিস্তার কি অবস্থা হয়েছিল তার প্রযুক্তিজগত সাক্ষী হয়ে আছে। মাইক্রোসফটএর মতো বিশাল কোম্পানীও বাধ্য হয়েছে অতি দ্রুত ভিস্তার সমস্যা দুর করে উইন্ডোজ-৭ বের করতে। উইন্ডোজ এক্সপি ছেড়ে ভিস্তাকে কোনো মতেও গেলাতে পারেনি বিলগেটস। কারন ওই একটাই। ভিস্তা সাধারনের কাছে সহজতর মনে হয়নি। কাজেই যেহেতু তারা টাকা দিয়ে একটি পন্য কিনছে, সেটা নিজের আরামের জন্যই কিনছে।

    জনাব মোস্তফা জব্বার,
    বিজয় বাংলা কম্পিউটিং এ এক যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছিলো এটি সত্য। কিন্তু পরিবর্তনের সাথে সাথে তা যুগের সাথে তাল মেলায়নি। প্রযুক্তির নিয়মই হলো প্রতি নিয়ত পরিবর্তিত হওয়া। কিন্তু আপনার বিজয়কে আপনি তা করেন নি। আপনি যতটা একজন ব্যবসায়ী, তার একভাগও প্রযুক্তিবিদ নন। কাজেই, প্রযুক্তির পৃথিবী কোথায় যাচ্ছে এবং সাধারন মানুষ কি চাচ্ছে তা আপনি বুঝেননি, অথবা বুঝতে চাননি।

    প্রকৃতি শুন্যস্থান পছন্দ করে না। কেউ গেলে তার স্থান পূরন হয়ে যায়। প্রযুক্তিজগতে এটি হয় আরো দ্রুত। আপনার বিজয়ের সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিলো তা ইন্টারনেটে ব্যবহার করা যেতো না, অথচ বর্তনাম সময়ে ইন্টারনেট ছাড়া অচল। অর্থাত, আপনার সফটওয়্যারকে আপনি যুগোপযোগী করে পরিবর্তন করেননি। প্রযুক্তির সাভাবিক নিয়মেই আপনার শুন্যস্থান পুরন হয়ে গিয়েছিলো, আপনি টের পান নি। যখন পেয়েছেন তখন আর কিছুই করার নেই।

    জনাব মোস্তফা জব্বার,
    আপনি কি কি লিনাক্স এর নাম শুনেছেন? না শুনলে একটু গুগলে সার্চ দেন, পেয়ে যাবেন। এক কিশোরের বানানো অপারেটিং সিস্টেম মাইক্রোসফটের মতো কোম্পানীর ঘুম হারাম করে দিয়েছে। যেখানে উইন্ডোজ কিনতে হয় ২০-৩০ হাজার টাকা দিয়ে, সেখানে লিনাক্স একদম ফ্রী। আপনি কি এটি জানেন? আপনি কি এও জানেন মাইক্রোসফটের মতো কোম্পানীও লিনাক্স ব্যবহার করতে বাধ্য হয় এর সুবিধার কারনে? আপনি কি জানেন এই অপারেটিং সিস্টেমটি ওপেনসোর্স। এই অপারেটিং সিস্টেমের উন্নয়ের জন্য পৃথিবীর বাঘা বাঘা প্রোগ্রামাররা বিনামুল্যে কাজ করে দিচ্ছে।
    আপনি কি জানেন বাংলায় লিনাক্স বানানো হয়েছে। সেখানে কিন্তু আপনার ‘বিজয়’কে ব্যবহার করা যায়নি জনাব মোস্তফা জব্বার।

    আপনার লেখা থেকে আমি বুঝলাম যে আপনি হয় ওপেনসোর্স বুঝেন না, অথবা ওপেনসোর্সের প্রতি হিংসা অনুভব করেন আপনার ব্যবসা ক্ষতি হবার জন্য। তাতে কোন লাভ নেই জনাব মোস্তফা জব্বার। বিলগেটসও বহুভাবে চেষ্টা করেছে লিনাক্সের অগ্রগতি রোধ করতে, পারেনি। ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার দিয়ে যত সহজেই ভাইরাস আমদানি হয় তার সিকিভাগও সম্ভব হয়না ফায়ারফক্সে। মজিলা যত ফাষ্ট তার অর্ধেকও ফাস্ট নয় ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার। উইন্ডোজের ভাইরাস নিয়ে সারাক্ষন টেনশন করতে হয়। লিনাক্সে এই ঝামেলা নেই। এসবই ওপেনসোর্সের অবদান জনাব মোস্তফা জব্বার।
    (তথ্যগত কোন ত্রুটি থাকলে দয়া করে জানাবেন)

  9. Ayan said,

    [২০১০.০৪.২৩ ১২:৫৭]

    কোনো সফট্ওয়্যারে একটা লেআউট ব্যবহার করাকে এত বড় করে দেখার কি আছে?
    যদি এমন হতো যে অভ্র বিজয়ের লেআউট ব্যবহার করে কোনো ফিজিক্যাল কিবোর্ড বানিয়ে বাজারজাত করছে তাহলে একটা কথা। তাছাড়া অভ্রতো তাদের সফটওয়্যার টিoo বিনামূল্যে দিয়ে দিচ্ছে।

    বিজয় এমন কোনো ভালো কিবোর্ড নয় যেটা অভ্রকে ব্যবহার করতেই হবে। বাংলা কিবোর্ড নিয়ে এখনও যথেস্ট গবেষণার বাকি রয়েছে। তাহলে অভ্র কেনো এই কিবোর্ড লেআউট ব্যবহার করলো? শুধুমাত্র যারা বিজয়ে অভ্যস্ত হয়ে গেছে তাদের যেনো সমস্যা না হয়। শুধু তাই না, অভ্র তার ইউনিজয়ে কিছু পরিবর্তনও নিয়ে এসেছে যা আরো বিজ্ঞান সম্মত ও গবেষনা লব্ধ। সেই অর্থে বিজয় ও ইউনিজয় আলাদা কিবোর্ড লেআউট।

    বিজয় কিবোর্ড লেআউট এর পরও দেশের বিজ্ঞানীরা আরো অনেক ভালো ভালো কিবোর্ড লেআউট প্রকাশ করেছেন। তারা দেখিয়েছেন যে, তাদের কিবোর্ড বিজয়ের চেয়েও আরো অনেক ভালো। কিন্তু কই? কেউ তো তাদের কাজকে পেটেন্ট করার প্রয়োজন অনুভব করেন নি। বরং কিভাবে এগুলোকে প্রয়োগ করা যায় তার জন্য সব প্রযুক্তিগত তথ্যকে ওপেন করে দিয়েছে। যে চাইবে সেই ব্যবহার করতে পারবে।

  10. Tom_N_Jerry said,

    [২০১০.০৪.২৩ ১৩:০৩]

    I have full support for AVRO…………

  11. Rafiqnunnabi said,

    [২০১০.০৪.২৩ ১৩:৫১]

    উনি আসলেই কিছু জানেন না। আমার মনে হয়না উনি লিনাক্স এর নাম শুনেছেন। বিজয় দিয়ে টাইপ করা কতটা কষ্ট এটা বলার অপেক্ষা রাখেনা। ইন্টারনেটের যত বাংলা লেখা তার বেশির ভাগ হয় অভ্র তে লেখা নয়ত প্রভাত এ লেখা। সরকারকে ভুল বুঝিয়ে উনি বাংলা কিবোর্ড লেআঊট নিজের নামে করে নিয়েছেন। এটা কি ধরনের কাজ? সরকারের উচিত উনার পেটেন্ট বাতিল করা। যতদিন বিজয় থাকবে আমাদের দেশে বাংলা লেখা নিয়ে এরকম সমস্যা হতেই থাকবে

  12. - said,

    [২০১০.০৪.২৩ ১৫:১৬]

    আমি বিজয় দিয়ে অনেক চেষ্টা করেছি কিন্তূ কিবোর্ড মূখস্হ করা আমার পক্ষে সম্ভব নয় তাই বাংলা লিখতে পারতাম না।শুধু ফনেটিক থাকাতেই আমি বাংলা লিখতে পারছি। আর অভ্র হচ্ছে সেই ফনেটিকের পুরোধা। জয়তু অভ্র।

  13. এনায়েতুর রহীম said,

    [২০১০.০৪.২৩ ০২:৩৭]

    জব্বার সাহেবের বক্তব্য অনুযায়ী অভ্র- তে যে ইউনিজয় কী-বোর্ড আছে তা বিজয় কী বোর্ডের সম্পূর্ণ এক বা হুবহু নকল। মেহদী বলছেন অন্তত আটটি পার্থক্য আছে। মেহদীর বক্তব্য অনুযায়ী একটি কী পার্থক্য থাকলেই যেখানে সেটি একটি স্বতন্ত্র কী বোর্ড হয় সেখানে জব্বার সাহেবের দাবী বক্তব্য টেকেনা। তাছাড়া অভ্র এবং বিজয় (এবং বর্তমানে ইউনিজয়) ব্যবহারে অভিজ্ঞতার আলোকে বলতে পারি দুটো কী বোর্ডে পার্থক্য আছে। সে হিসবে জব্বার সাহেবের হুবহু নকলের দাবী অযৌক্তিক মনে হয়। এবং এই দাবীর উপর ভিত্তি করে জব্বার সাহেবের করা অভিযোগগুলোও ভেঙে পড়ে।

    মানহানির মামলা মেহদী করবে কেন? মেহদী তো অভ্র বিক্রি করে টাকা কামায় না। আমরা অভ্র ব্যবহার করি, আমরা চাই টাকা দিয়ে যেন বাংলা লেখার সফটওয়্যার কিনতে না হয়। অভ্র পাইরেটেড সফটওয়্যার নয়। আমরা অভ্রের পাশে আছি, থাকবো।

  14. উজ্জল said,

    [২০১০.০৪.২৩ ১৫:৫৩]

    ভাষা নিয়ে ব্যবসায়ীক দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি তীব্র নিন্দা জানাই।
    ভাষা হোক শৃঙ্খল মুক্ত।

  15. জুয়েল said,

    [২০১০.০৪.২৩ ১৬:০৯]

    একটা কিবোর্ডে ৫২টা কি থাকলে, ৫২! টি আলাদা লেয়াউট করা সম্ভব। ইউনিবিজয়ের সাথে বিজয়ের ৮টি কিয়ের পার্থক্য আছে। দুনিয়াতে 30,342,338,208,000 (৫২! / (৫২-৮)!) টি লেয়াউট আছে, যার সাথে বিজয়ের মাত্র ৮ টি কিয়ের পার্থক্য আছে। জব্বার সাহেব কি ওই সবগুলো কিবোর্ডের প্যাটেন্ট করে ফেলেছেন?

  16. Saumitra Kumar Paul said,

    [২০১০.০৪.২৩ ১৬:২৩]

    অভ্র সম্পর্কে জনাব মো.জ এর সাম্প্রতিক মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে কিছু বলার তাগিদ অনুভব করছি। অভ্র পাইরেটেড কিনা আমি সে বিষয়ে কথা বলতে চাই না। আমি বলতে চাই “কপিরাইটের জন্য মানুষ নয়, মানুষের জন্য কপিরাইট”। আশা করি পাঠক আমার এই মন্তব্যের সাথে একমত হবেন।

    বিগত দিনে বিজয় সফ্টওয়ারের অবদান যতই তাতপর্যপূর্ন হোক না কেন, বাস্তবতা হচ্ছে বিজয় কি-বোর্ড অমিত সম্ভাবনাময় কম্পিউটারটিকে পরিণত করেছিল বাংলা কম্পিউটাইপরাইটার যন্ত্রে। বাংলা কম্পিউটিং বলতে যেটা বোঝায় তা বিজয় দিয়ে সম্ভব ছিল না এবং এখনো বোধহয় সম্ভব নয়। “বোধহয়” শব্দটি ব্যবহার করলাম এই কারণে যে অভ্র আসার পর থেকেই আমি এটির নিয়মিত ব্যবহারকারী, বিজয়ের সাথে আমার আর কোন সম্পর্ক নেই।

    ইন্টারনেটে বাংলা ব্যবহার যখন সমস্ত বাঙালীর প্রাণের দাবী হয়ে উঠছিল, তখনও বিজয় বাংলা টাইপরাইটারের কম্পিউটার সংস্করণই মাত্র। সে সময়ই আশীর্বাদ হয়ে এসেছিল অভ্র। আমার সাথে অনেকেই একমত হবেন যে বাংলা কম্পিউটিংএর ক্ষেত্রে এটি ছিল একটি অনন্য মাইলফলক, । আজ বাংলায় যত ই-মেইল, ওয়েবসাইট, ব্লগ, অনলাইন ফোরাম ইত্যাদি দেখি, তার সবই কিন্তু অভ্রের হাত ধরেই এসেছে।

    এমন একটা মহত প্রচেষ্টাকে জনাব মো.জ যতই “পাইরেটেড” বলবেন, ততই তার হীন ব্যবসায়ী মনোবৃত্তির কদর্য রূপটাই প্রকট হয়ে ফুটে উঠবে। ।

    বিজয় একটা “ব্যবসা”। অপরদিকে অভ্র একটা “মাঙ্গলিক অগ্রযাত্রা”, আর আমরা তারই সহযাত্রী।

  17. Shantonu Rahman said,

    [২০১০.০৪.২৩ ১৮:৫৪]

    অভ্র একটি স্বাধীনতার নাম, তাহল নিজের ভাষায় লেখার স্বাধীনতা, স্ফুলিঙ্গের মত এই স্বপ্নকে বরণ করে নিয়েছিল সারা বিশ্বের বাংলা-ভাষাভাষী কম্পিউটার ব্যভারকারীরা। আর বিজয় হল সামান্য একটি ব্যবসায়িক পণ্য মাত্র।
    আজ পর্যন্ত কম্পিউটারে যত বাংলা লিখেছি, অভ্র না থাকলে তার কিছুই সম্ভব হত না। আমি মোস্তফা জব্বারকে সম্মান করতাম বাংলাদেশে Desktop Publishing-এর জগতে তার যুগান্তকারী অবদানের জন্য, কিন্তু তার সাম্প্রতিক আচরণের নিন্দা জানানোর ভাষাও আমার নেই। এর সবকিছুর মূলে আছে নির্বাচন কমিশন থেকে বিজয়ের লাইসেন্স বাবদ তিনি যে টাকা পেতে পারতেন, তা না পাওয়ার ক্ষোভ। অভ্র বিনামূল্যের হওয়ায় নির্বাচন কমিশন সেটাই ব্যবহার করেছে। এতে বিজয় প্রায় পাঁচ কোটি টাকার ব্যবসা হারিয়েছে।
    আর অভ্র পাইরেটেড কিনা তার উত্তর এর নির্মাতা মেহ্‌দীই দিয়েছেন। একটি সেটে ৮টি কী আলাদা থাকার পর সেটাকে কিভাবে নকল বলা যায়, তা আমার জানা নেই। এর উত্তর মোজো-র ব্যবসায়ী মাথা থেকেই হয়তো আসবে।
    অভ্রের পাশে সবসময় ছিলাম, আছি, থাকব। ব্যবসায়িক পণ্য একসময় হারিয়ে যাবে, কিন্তু স্বপ্ন টিকে থাকবে সব সময়।

  18. Nabiul said,

    [২০১০.০৪.২৩ ০৩:২৯]

    জনকণ্ঠে দেয়া মোস্তাফা জব্বারের বক্তব্যে এটা পরিষ্কার নির্বাচন কমিশন আর ইউএনডিপি টাকা খরচ না করে অভ্র ব্যবহার করেছে বলেই তার গাত্রদাহ। তিনি ফেসবুকে স্বীকার করেছেন যে অভ্র তার ৫ কোটি টাকার ব্যবসা্র ক্ষতি করেছে। মেহদী যদি তার উদ্ভাবিত প্রযু্ক্তির মাধ্যমে জনগণের ৫ কোটি টাকা মোস্তাফা জব্বারের পকেটে যাওয়া থেকে ঠেকানোর জন্য আমরা মেহদীকে স্যালুট দেই।
    মোস্তাফা জব্বারের বিজয় লে আউট তার নিজের করা না। মুনিরুল আবেদীন পাপ্পানা নামে বুয়েটের একজন ছাত্র এটা ডিজাইন করেন। অথচ জব্বার সাহেব কিছু চিহ্নিত মিডিয়া মোঘল রাজনৈতিক আশ্রয়ে বহু বছর ধরে নিজেকে এর উদ্ভাবক হিসেবে দাবি করে যাচ্ছেন।।
    মেহদীর পুরো বক্তব্যটা প্রথম আলো্তে আসা দরকার। সেখানে জব্বার সাহেবের প্রতিটি কথার জবাব দেয়া আছে।।
    আগ্রহীরা এখানে দেখুন http://www.sachalayatan.com/omicronlab/31599

  19. rabbani said,

    [২০১০.০৪.২৩ ০৩:৩৮]

    @মোস্তাফা জব্বারঃ বাংলাদেশের বাংলা কম্পিউটিং এ ‘বিজয়’ এর ভুমিকা অস্বীকার করার উপায় নেই, আমি শ্রদ্ধাচিত্তে তা স্মরন করি; যদিও এর আউটপুট যতভাবে সম্ভব আপনি ভোগ করেছেন। টাকা দিয়ে কেনা সফটওয়্যার এ আপনার এবং আপনার ছেলের ছবি দেখতে বাধ্য করছেন। এই বিজয়ের কল্যানেই আপনি একজন আই.টি মুখপাত্র হয়ে উঠেছেন । যদিও আপনার আই.টি জ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষেপড়া কম্পিউটার বিজ্ঞানের ছাত্রের সমতুল্য; অন্তত পত্রিকায় আপনার কলামগুলো পড়লে তাই মনে হয়। প্লিজ় পড়াশুনা করে কলাম লিখুন, পাইরেসির কাকে বলে বোঝার চেষ্টা করুন।
    আপনি শুধু মানুষ কে বিভ্রান্তই করছেন না, সরকারী সেক্টরে ওপেন সোর্স কে নিরুতসাহী করছেন। প্লিজ ব্যাক্তিস্বার্থের বলয় থেকে বেরিয়ে আসুন।
    @মেহেদিঃ আমি নিজেও একজন প্রোগ্রামার। না আমি আপনার মত বিশাল স্বপ্নবাজ না… আমি আমেরিকার একটা সফটওয়্যার ফার্মে বসে কোড লিখি এবং তার বিনিময়ে পয়সা নেই। আপনার মত নিঃস্বার্থভাবে বাংলাদেশের জন্য কাজ করা হয়নি আমার।
    এই মুহুর্তে শুধু আপনাকে একটা কথাই বলার আছে ” প্লিজ মোস্তফা জব্বারদের কথায় থামবেনা।বাংলাদেশে আপনার মত মেহেদি হাসানদের খুব দরকার।”

  20. Riasat said,

    [২০১০.০৪.২৩ ০৩:৪৮]

    অভ্র কখনোই পাইরেটেড সফটওয়্যার নয়।
    ওপেনসোর্সর কাছে মোস্তফা জব্বারের ভাষা বাণিজ্য বন্ধ হওয়ায় তার এই আক্ষেপ থেকে অভিযোগ।
    তাই অভ্রর সাথে গলা মিলিয়ে বলি ভাষা হোক উন্মুক্ত।
    মেহেদী হাসানের মতন প্রোগ্রামার আমাদের দেশের বেশি প্রয়োজন, মোস্তফা জব্বারের মতন ব্যবসায়ী নন।
    – আবির
    বুয়েট সিইসি ডিপার্টমেন্ট

  21. trimatric said,

    [২০১০.০৪.২৩ ০৪:৩৪]

    অভ্র পাইরেটেড!!! মোস্তফা জব্বারের এরকম বক্তব্য হাস্যকর।
    আর তিনি যদি মনে করেন ইউনিজয় বিজয় লে-আউটের নকল তাহলে চেঁচামেচি না করে তিনি মামলা করছেন কেন?
    আসলে অভ্রের জনপ্রিয়তা দেখে তিনি ইর্ষান্বিত হয়ে পড়েছেন, জব্বার সাহেব ভাল ভাবেই বুঝতে পারছেন যে অভ্রের কাছে বিজয় মার খেয়ে যাচ্ছে। মেহদী হাসান খানকে হুমকি- ধামকি দিয়ে নিজের হীনমন্যতার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছেন। প্রকৃতপক্ষে তিনি চান বাংলা ভাষা মনোপলি ব্যবসা করতে সেটা বুঝতে আর কারো বাকী নেই। এটার সবচেয়ে বড় প্রমান কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন বাংলা ব্লগ ও ফোরামে অভ্রের প্রতি মানুষের একচেটিয়া সমর্থন।

    অভ্রের জয় হোক, ভাষা হোক উন্মুক্ত।

  22. রনি পারভেজ said,

    [২০১০.০৪.২৩ ০৪:৫৮]

    যাক, অভ্রের খবর পেপারের মুখ দেখল তাহলে!
    খবরটা ছাপানোর জন্য প্রথম আলো কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ।
    মেহদী ভাইয়ের কথাকেই যুক্তিযুক্ত মনে হচ্ছে।
    দেখা যাক কি হয় 😀 😀

  23. Jinnat Ul Hasan said,

    [২০১০.০৪.২৩ ০৫:৫৫]

    মোস্তফা জব্বার হচ্ছেন একজন অন্য প্রকৃতির মানুষ। কোটি টাকা দিয়ে নির্বাচন কমিশনে বিজয় কিবোর্ড বিক্রি করতে না পেরে ওনার মাথা খারাপ হয়ে গেছে। ঢালাওভাবে সবাইকে অপরাধী বানিয়ে চলেছেন। এমনকি ইউএনডিপিকেও অপরাধী বানাতে পার দ্বিধা হয়নি।কোনো যোগ্যতা ছাড়াই তিনি প্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন পদে বসে আছেন, তখন সাধারন মানুষের হাতে কি করে প্রযুক্তি ছড়িয়ে যেতে পারে, তাতে তার কোনো মাথা ব্যথা নেই। তার দরকার বিজয় বিক্রি করে টাকা হাতিয়ে নেয়া।
    যে বিজয় বিজয় করে তার এত মাথা ব্যথা, সেই বিজয়ের প্রোগ্রামার পাপ্পানার কি কোনো খবর তিনি রেখেছেন?

  24. shen-drishti said,

    [২০১০.০৪.২৩ ০৬:০৮]

    গত বেশকিছু দিন ধরে আমি যা পড়ছি, আপনারাও তাইই পড়ছেন, আজ নিজের বিরক্তিকর অভিগগতা না বললেই না। প্রিয় পাঠক আপনি নিজে কি বিজয় ব্যবহার করেছেন? হমমম.. সেই প্রথম দিক কার কথা , বিজয় কিনে ইনসল করলাম। বাধ্য হয়ে ৭ দিনের মাথায় ছুরে ফেলে দিলাম। কেন? হমমমম.।দুটি পূর্বকথা বলি, আপনার কম্পুটারে যদি উইন্ডোজ থাকে, আপনি কি কোনদিন বিল গেটসের ছবি কোথাও আপনার কম্পিউটারে দেখেছেন ? বলছি কেন, আপনি যদি বিজয় ইনস্টল করেন, যত বার কম্পিউটার চালাবেন, ততবার পর্দায় ভেশে উঠবে, বিজয়ের লেখক কথিত এক লোকের ছবি। এটাকি ইউজারকে অত্যাচার করা না ???? দু লাইনের বিজয় লিখে যদি নিজের “থোতা” ইউজারকে দেখাতে হয়, তাও জোর করে, তাহলে তো বিলগেটসের উচিৎ যত বার ক্ম্পুটার চালাবেন, তত বারতার ১৪ গুস্টির ছবির স্লাইড শো দেখিয়ে তবে, স্টারট নেয়া।
    শেষকথা হল, লেআউট যদি কপি রাইট হয়, তাহলে, দুই কম্পানির কি বোর্ডে একই ইংরেজি কেমনে লেখে ?! জানা naI

  25. জুয়েল said,

    [২০১০.০৪.২৩ ০৬:১৬]

    একটা কিবোর্ডে ৫২টা কি থাকলে, ৫২! টি আলাদা লেয়াউট করা সম্ভব। ইউনিজয়ের সাথে বিজয়ের ৮টি কিয়ের পার্থক্য আছে। দুনিয়াতে 30,342,338,208,000 (৫২! / (৫২-৮)!) টি লেয়াউট আছে, যার সাথে বিজয়ের মাত্র ৮ টি কিয়ের পার্থক্য আছে। জব্বার সাহেব কি ওই সবগুলো কিবোর্ডের প্যাটেন্ট করে ফেলেছেন?

  26. Ishtiaq Akbar said,

    [২০১০.০৪.২৩ ০৬:৩৭]

    বিজয় কী-বোর্ডের অংশ বিশেষ বলতে কি বোঝান হচ্ছে? বিজয় কী- বোর্ডে “অ” থেকে “ঁ” পর্যন্ত সবগুলো অক্ষর আছে। জনাব মোস্তফা জব্বারের বক্তব্য শুনে মনে হচ্ছে অন্য কোন কী-বোর্ডে বাংলা বর্ণমালা ব্যবহার করলেই সেটা পাইরেটেড সফটওয়্যার হয়ে যাবে। আসলে নির্বাচন কমিশনের পাঁচ কোটি টাকা হাতছাড়া হয়ে যাবার পর ওমিক্রনল্যাবের এবং অভ্র এর উপর উনার আক্রোশটা অতিমাত্রায় বেড়ে গেছে। উনার যদি এতটাই আত্মবিশ্বাস থেকে থাকে তাহলে উনি আদালতের স্মরণাপন্ন হচ্ছেন না কেন? রায় উনার পক্ষে গেলে হয়ত নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঁচ কোটি টাকায় বিজয় কী-বোর্ড বিক্রির টেন্ডারটাও পেয়ে যেতে পারেন।

  27. অরণ্য said,

    [২০১০.০৪.২৩ ১৯:০৬]

    একটি কীবোর্ড লেয়াউটের মাত্র একটি বাটনের কীস্ট্রোক পরিবর্তন করলেই নতুন এবং অনন্য (unique) একটি লেয়াউট স্মৃষ্টি হয়। মোস্তাফা জব্বার কি এমন যতগুলি সম্ভব তার সব কয়টি লেয়াউটের জন্য পেটেন্ট নিয়ে নিয়েছেন? ইন্টারনেটে নিয়মিত বাংলা ব্যবহারকারীরা মোস্তফা জব্বারের মত সম্মানিত ব্যক্তির কাছে এমন বিবৃতি আশা করিনি।
    অভ্র এর পক্ষে-বিপক্ষে বিভিন্ন লেখা নিয়ে নিম্নের আর্কাইভটি চোখে পড়লো। আগ্রহী পাঠকগণ দেখতে পারেন।
    https://saveavro.wordpress.com/

  28. অনুপ দেবনাথ said,

    [২০১০.০৪.২৩ ১৯:২৮]

    অভ্রের জয় হোক, ভাষা হোক উন্মুক্ত
    ভাষা নিয়ে ব্যবসা করতে দেওয়া যায় না।

  29. Adhir Dutta said,

    [২০১০.০৪.২৩ ১৯:২৮]

    কিছু দিন পর বাংলা তথ্যপ্রযুক্তি জগতে যখন কথা থেকে লেখার পদ্ধতি (স্পিচটুট্যাক্স্ট) উদ্ভাবন হবে তখন জব্বার সাহেবের এই করে ব্যবসা করার পথ রুদ্ধ হবে। বিজয় সেই আগের কালেই আছে, এই বুড়োরা কখনো কোনোকিছুর উন্নতি সহজে দেখতে পারে না। মেহেদী ভাইকে বলবো এই পথে এগোনোর জন্য।স্ট্যান্ডার্ড টোন/ব্যবহারকারীর বর্নমালার টোন রেকর্ড করার ব্যবস্থা রেখে ফন্টের সাথে ম্যানুয়াল/অটো ম্যাপিং করে এটি সম্ভব।জয়তু অভ্র।

  30. অনিত্য said,

    [২০১০.০৪.২৩ ১৯:৩৫]

    আমি বিজয় এবং অভ্র দু’টোই ব্যবহার করেছি। সঙ্গত কারণেই বলবো যে বিজয়ের কীবোর্ড লে- আউট এবং অভ্রের ইউনিজয় লে-আউট দু’টো হুবহু এক না। জব্বার সাহেবের কোন কারণ দেখি না এহেন অভিযোগ করার। ভাষার প্রতি দরদ থাকলে তার বরং বিজয়কে সবার ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া উচিত। এ নিয়ে এতো বছর তো যথেষ্ট ব্যবসা হয়েছে, টাকাও তিনি কম কামাই করেননি। এবার সকলের জন্য একে সদকা করে দিলেই বরং তার সম্মান বজায় থাকতো।

    আর আমার মনে হয় না যে বিজয় বা অভ্রের ইউনিজয় লে-আউট পৃথিবীতে না থাকলে তাতে বাংলা ব্যবহারকারীদের তেমন কোন সমস্যা হবে। আমি নিজেই অভ্রের বাংলা ফোনেটিক লে-আউটে টাইপ করি। নতুন ব্যবহারকারীদের ক’জন ফোনেটিক লে-আউট রেখে বিজয়ের মতো সঙ্গতিহীন এক লে-আউটে কষ্ট করে টাইপ করা শিখেছে, সে ব্যপারেও আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে। আর যারা আগে বিজয়ে টাইপ করতো, তাদের অনেকেও হয়তো আমার মতোই ফোনেটিক ব্যবহার করতে করতে বিজয়ের লে-আউটই ভুলে গেছে।

  31. opu said,

    [২০১০.০৪.২৩ ২০:১২]

    আমি কম্পিউটারে বাংলা লেখা শুরু করি জব্বার স্যারের বিজয় টাইপিং দিয়ে। এতদিন এভাবেই লিখছিলাম। বাংলা ব্লগে ও অন্যান্য বাংলা ওয়েব সাইডে বিজয় টাইপিংটি পুরুপুরি সার্পোট করে না ইউনিকোড ভিত্তিক ফন্ট না হওয়ার কারণে। অভ্র টাইপিং ফ্রী ও সম্পুর্ণ ইউনিকোড ভিত্তিক হওয়ায় আগ্রহ সৃষ্টি হয়। অনিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও অভ্রটাইপিং প্রাকটিস করা শুরু করি। এখন যে লিখছি অভ্র দিয়ে।
    বিজয় এবং ইউনিজয় কিঞ্চিত পার্থক্য আছে। কিন্তু আমার মনে হয় বিজয় কে একটু অনুকরণ করা হয়েছে। যাই হোক, হুবহু ইউনিবিজয় এবং বিজয় একই লে-আউট এটা কিছুতেই বলা যাবে না।
    জব্বার স্যার, অভ্র কে পাইরেটেড বলেছেন। স্যার আপনি কি অবগত – জাতীয় পরিচয় পত্র তৈরিতে আপনার বিজয় টাইপিং ব্যবহার করেছে। আপনার অনুমতি ছাড়া আপনি কি কোন প্রকার পদক্ষেপ নিয়েছেন ?
    অথচ আপনি অভ্রের ব্যপারে খুবই উৎসাহি। অভ্রের মেহেদি হাসান কিন্তু সম্পূর্ণ ফ্রি তে তার সফট্‌ওয়ারটি ছেড়েছে অনলাইনে । শুধু বাংলা ভাষা ভাষীদের সুবিধার জন্য। এটা কিন্তু বিশাল ভালবাসা বাংলাদেশের জন্য। অভ্র এখন ক্রমশ জনপ্রিতা অর্জন করছে বোধোহয় এর সহজ প্রাপ্যতার কারণে।
    জব্বার স্যার, জাতি আপনাকে স্মরন করবে সবসময়, এই কারনে যে – আপনার হাত ধরেই কম্পিটিংয়ে বাংলা টাইপিংয়ের শুরু। আমি এখনও বিশ্বাস করি, বিজয়ই একমাত্র বাংলা লেখার দ্রুত লে-আউট। ভাল থাকবেন।
    আমি বলব, ভাষা হোক উম্মুক্ত… জয় হোক বাংলা কম্পিটিং প্রযুক্তিতে…

  32. সাহাদাত উদরাজী said,

    কি মন্তব্য করব? এমন একজন কম্পিউটারবিধ পেলাম না যিনি মোঃ জাব্বার কে ভাল বলেছেন!!! ও ভুলে যাচ্ছি, আপনারা কি তুষার সাহেব কে কম্পিউটারবিধ(!) মনে করেন? তুষার সাহেব কিন্তু আবার নিজকে …… ভাবেন!

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: